চট্টগ্রাম ২(ফটিকছড়ি)সংসদীয় আসনে স্বপ্নবাজ এক তরুন রাজনীতিক ড.ফয়সাল কামাল চৌধুরী – একান্ত সাক্ষাৎকারে।

আসছে জাতীয় সংসদ নির্বাচন। রাজনীতির ডামাডোলের মাঝেও রাজনৈতিক দল গুলো ঠিকই গুছিয়ে নিচ্ছে তাদের নির্বাচনী প্রস্তুতি। প্রতিটি সংসদীয় আসনে সৎ, যোগ্য,মেধাবী, মাদক ও দুর্নীতির প্রভাব মুক্ত প্রার্থীর খোঁজে কাজ করে যাচ্ছে বিভিন্ন মহল। তারই ধারাবাহিকতায় চট্টগ্রাম ২, ফটিকছড়ি উপজেলা সংসদীয় আসনে নিভৃতচারী এক আওয়ামী রাজনীতিক ড.ফয়সাল কামাল চৌধুরীর কথা উঠে আসে।বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা ও উচ্চ পর্যায়ের প্রাথমিক প্রার্থী বাছাইয়ের দলীয় কমিটি কমিটিও ঝিগাতলা পার্টি অফিস থেকে প্রাপ্ত তথ্য মতে দলীয় প্রধানের সুদৃষ্টিতে আছেন আওয়ামী রাজনীতিতে ৬০বছরের বেশী সময় ধরে সেবা করে যাওা এক পরিবারের এই মেধাবী তরুণ।  তথ্যপ্রযুক্তি বিদ ও অর্থনীতি গবেষক, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে অবস্থান তৈরি করার যোগ্যতা সম্পন্ন, বাংলাদেশ ভারত মৈত্রী সমিতির চট্টগ্রাম বিভাগের সাধারন সম্পাদক, বঙ্গবন্ধু গবেষণা কেন্দ্রের কেন্দ্রীয় পরিষদের সভাপতি ফয়সাল কামাল চৌধুরী বাংলাদেশের রাজনীতিতে যে সকল সংস্থা কে প্রভাব বিস্তার করতে দেখা যায় তাদের সকলেরই সুনজরে আছেন।

সুস্থ ধারার রাজনীতিতে বর্তমান প্রজন্মের একজন প্রতিনিধি তিনি, সুযোগ পেলে হয়ে উঠতে পারেন আগামী প্রজন্মের জন্য দৃষ্টান্ত।

14322455_10210825005287142_8101669127639222246_n

পঞ্চাশের দশকের শেষ দিকে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে আগমন তার পিতামহ আলহাজ্ব তৌহিদুল আলম চৌধুরীর, ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ও প্রতিষ্ঠাতা কমিটির কোষাধ্যক্ষ। বঙ্গবন্ধুর হাত ধরে রাজনীতিতে আসা এই প্রবীন রাজনীতিক দেড় দশকের রাজনীতি জীবনে তার অর্জিত সম্পদের  অধিকাংশ ব্যয় করেছেন প্রানের এই সংগঠনের জন্য,সমাজের জন্য, ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে অধিকাংশ সময় অসুস্থ ছিলেন এবং ১৯৭৮ সালে মারা যান। তবে ফটিকছড়ির জনমানুষের কাছে আজো তিনি  কর্ম গুনে বেচে আছেন। আলহাজ্ব তৌহিদুল আলম চৌধুরীর জ্যষ্ঠ পুত্র মোস্তফা কামাল পাশা চৌধুরী ছিলেন একাধারে রাজনীতিক, সমাজ সেবক, শিক্ষানুরাগী ও ব্যাবসায়ি। পিতার পথ অনুসরন করে ৭৫ পরবর্তী আওয়ামী লীগের দুঃসময়ে তিনি পাইন্দং ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ এর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন  ও দীর্ঘ দিন সিনিয়র সহ সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। মরহুম মোস্তফা কামাল পাশা চৌধুরীর সুযোগ্য পুত্র  তৌহিদ মুহাম্মদ ফয়সাল কামাল চৌধুরী, ১৯৯৫ সালে দশম শ্রেনীতে পড়ুয়া অবস্থায় মামা, তৎকালীন তুখোড় ছাত্রনেতা ও বর্তমান নগর পিতা আ জ ম নাসিরউদ্দিন এর হাত ধরে ছাত্র রাজনীতিতে পদার্পণ করেন। ১৯৯৫-১৯৯৯ মাত্র চার বছর ছাত্র রাজনীতি করার সুযোগ পান তিনি, ১৯৯৯ সালের মাঝা মাঝি মেধাবী ছাত্র ফয়সাল কামাল চৌধুরী ভারত সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় উপমহাদেশের প্রাচীন বিদ্যাপীঠ দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক শ্রেনীতে পড়তে চলে যান। ২০০৫ সালে দেশে ফিরে ঢাকায় ,কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের তত্ত্বাবধানে সরাসরি আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে জড়ান। তখন দেশ ব্যাপী চলছে চার দলীয় জোট সরকারের চরম দমন পীড়ন।এর ঐ মাঝে শুরু করেন বঙ্গবন্ধু গবেষণা কেন্দ্রের কার্যক্রম আর কেন্দ্রীয় নেতাদের নির্দেশনায় মাঠ পর্যায়ে কাজ। সেই শুরু গত ১৩ বছর ধরে শুধুই পথ চলা, কখনোই দলের কাছে কিছু চান নি।

রাজনীতি তার পরিবারের কাছে ত্যাগের ,ভোগের জন্য রাজনীতি নয়।বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৬৭ বছরের পথ পরিক্রমায়, তার পরিবার প্রায় ষাট বছরের সাথী।

পিতামহ  ও পিতার কাছ থেকে উত্তারাধীকার সুত্রে পাওয়া বঙ্গবন্ধুর আদর্শ আর সমাজ ও রাষ্ট্র গড়ার স্বপ্ন নিয়ে তিনি কাজ করছেন। জনগন ও মাননীয় নেত্রী, বঙ্গবন্ধু কন্যা একদিন নিশ্চয়ই মুল্যায়ন করবেন,সেই প্রত্যাশা নিয়ে এই স্বপ্নবান তরুন কাজ করছেন।

প্রশ্ন ১।  প্রথমেই একজন ড. ফয়সল কামাল চৌধুরী সম্পর্কে পাঠকদের জানাতে চাই (জন্ম,পিতা-মাতা,পরিবার,ভাই-বোন, বেড়ে উঠা,পড়াশুনা,রাজনৈতিক বিশ্বাস,মুল্যবোধ, আদর্শ ইত্যাদি)?

বিংশ শতাব্দীর জাতীয় ও আন্তর্জাতিক রাজনীতির পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ আগামী দিনের রাজনৈতিক নেতৃত্ব গঠনে যোগ্য, মেধাবী, সৎ ও সক্ষমতা সম্পন্ন তরুন নেত্রিত্বের দিকে বিশেষ নজর দিচ্ছে। তারই ফলশ্রুতিতে চট্টগ্রাম ২ ফটিকছড়ি উপজেলা সংসদীয় আসনে উঠে আসা আওয়ামী লীগ পরিবারের তৃতীয় প্রজন্মের তরুণ নেতৃত্ব ড.তৌহিদ মুহাম্মদ ফয়সাল কামাল চৌধুরী।

পঞ্চাশের দশকের শেষ দিকে বঙ্গবন্ধুর হাত ধরে তাঁর পরিবারের বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এর রাজনীতিতে আগমন।   ড.ফয়সাল কামালের পিতামহ আলহাজ্ব তৌহিদুল আলম চৌধুরী ছিলেন ১৯৫৮ সালে ফিরিংগীবাজার আওয়ামী লীগের কোষাধক্ষ্য হিসেবে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে পদার্পণ করেন, পরবর্তীতে তিনি বঙ্গবন্ধুর প্রত্যক্ষ নির্দেশে ফটিকছড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠা করেন, তিনি ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা কোষাধ্যক্ষমুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ও স্বনামধন্য ব্যবসায়িশিক্ষানুরাগী ও সমাজসেবক।

আওয়ামী লীগ পরিবারের তৃতীয় প্রজন্মের রাজনীতিক ও তরুণ আওয়ামী লীগ নেতা ড. ফয়সাল কামাল চৌধুরী, পেশায় তথ্যপ্রযুক্তিবিদ ও ব্যবসা উদ্যক্তা। বঙ্গবন্ধু গবেষণায় ২০০৩ সাল থেকে আত্মনিয়োগকারী এই তরুন আওয়ামী লীগ নেতা এক দশকের ও বেশি সময় ধরে অর্থনীতি, শাসন ব্যাবস্থা, তথ্য প্রযুক্তি, বাংলাদেশ পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধি, ব্যাংকিং, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, আঞ্চলিক উন্নয়ন সহ বিভিন্ন উন্নয়ন সম্পৃক্ত গবেষণা কর্মের সাথে জড়িত। দেশ বরেন্য ও আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন শিক্ষাবিদ ও গবেষকগনের প্রত্যক্ষ নির্দেশনায় তিনি বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ইস্যু তে কাজ করেছেন।

তরুণ আওয়ামীলীগ নেতা ড.ফয়সাল কামাল চৌধুরী ১৯৯৫ সালে দশম শ্রেণীতে পড়ুয়া অবস্থায় তৎকালীন তুখোড় ছাত্রনেতা ও মামা আ জ ম নাসির এর হাত ধরে ছাত্র রাজনীতিতে আগমন। ছাত্র জীবন থেকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এর নিবেদিত এই রাজনৈতিক কর্মী উপমহাদেশ এর স্বনামধন্য বিদ্যাপীঠ দিল্লী বিশ্ববিদ্যালয় এ কম্পিউটার বিজ্ঞান এ অধ্যয়ন শেষে মুম্বাই এর আই পি এম এস থেকে ব্যবস্থাপনায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। পেশাদারী দক্ষতা অর্জন এর প্রয়োজনে ফয়সাল কামাল উপমহাদেশের সর্বপ্রথম সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠান ভারত সরকারের সি এম সি দিল্লি ও কলকাতা থেকে স্নাতকোত্তর ডিপ্লোমা এবং পরবর্তীতে কম্পিউটার ইনফর্মেশন টেকনোলজি তে ২০০৫ সালে ডক্টর অফ সায়েন্স ডিগ্রি অর্জন করেন।

চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ও ফটিকছড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ও মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক আলহাজ্ব  তৌহিদুল আলম চৌধুরী র দৌহিত্র ও  চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক ও মেয়র আ জ ম নাসিরউদ্দিনের ভগ্নিপুত্র এই তরুন রাজনৈতিক কর্মী জাতীয় ও আন্তর্জাতিক  পরিমণ্ডলে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অতিথি বক্তা হিসেবে পাঠদান এর পাশাপাশি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত গবেষণা সংস্থা  “National Bureau of Economic Research (NBER)” এর নির্বাহী পরিচালক এর দায়িত্ব পালন করছেন।
তিনি পেশাগত জীবনে ইম্পেরিয়াল ডেভেলপমেন্ট টেকনোলজির পরিচালক, মারিয়াট কন্টিনেন্টাল লিঃ এর পরিচালক, তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ইনফোটেক এর স্বত্বাধিকারী, মোস্তফা কামাল এগ্রিকালচারাল কোঃ পরিচালক, মোস্তফা কামাল লজিস্টিক কোঃ স্বত্বাধিকারি, সুশাসন পাবলিকেশন্স নামক প্রকাশনা সংস্থার পরিচালক। এছাড়া তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও আন্তর্জাতিক সংস্থার সাথে জড়িত।

তিনি বাংলাদেশ ভারত মৈত্রী সমিতি ,চট্টগ্রাম বিভাগের সাধারন সম্পাদক, মুক্তিযুদ্ধ একাডেমি, চট্টগ্রামের সদস্য সচিব, স্বাধীনতা তথ্য প্রযুক্তি পরিষদের আহ্বায়ক, চট্টগ্রাম সাইবার সিকিউরিটি ফাউন্ডেশন- প্রতিষ্ঠাতা সহ সভাপতি এর দায়িত্ব সহ নানা মুখি সামাজিক সংগঠনের সাথে জড়িত।

২৩ বছরের সক্রিয় রাজনৈতিক জীবনে তিনি সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক,চকবাজার ওয়ার্ড (১৯৯৭-৯৯), বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, আহ্বায়ক ,চট্টগ্রাম সরকারী কলেজ, আহ্বায়ক কমিটি ( আ জ ম নাসির উইং) (১৯৯৬-১৯৯৮), বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ ছাত্র ফোরাম এর কার্যকরী সদস্য ,  সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দায়িত্ব পালন করেছেন ও করছেন। ২০১৪ সালে জানুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি চট্টগ্রাম  ২  (ফটিকছড়ি উপজেলা ) সংসদীয় আসন থেকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সর্ব কনিষ্ঠ ও অন্যতম শক্তিশালী মনোনয়ন  প্রত্যাশী ছিলেন। দলীয় প্রধান ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর  সাথে  প্রার্থী বাছাই সাক্ষাৎকার কালে তাঁর নিরদেশে  ১৪ দলীয় প্রার্থীর পক্ষে সমর্থন দিয়ে সরে দাঁড়ান। আসন্ন নির্বাচনে ও তিনি অন্যতম একজন  মনোনয়ন প্রত্যাশি হিসেবে নিজ আসনে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

প্রশ্ন ২। সত্যিকার অর্থে আমাদের দেশটা অনেক সুন্দর। স্বাধীনতার ৪৭ বছরে বাংলাদেশ। মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী দল বাংলাদেশ আওয়ামালীগ ক্ষমতায় কতটুকু এগিয়েছে বাংলাদেশ?

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ২০০৮ সালের ‘দিন বদলের সনদ’ শিরোনামের নির্বাচনী  ইশতেহারটিতে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো একটি উন্নয়নের ভবিষ্যৎ রূপরেখা (ভিশন-২০২১) নির্দিষ্ট করা হয়েছিল। আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের সংশ্লিষ্ট বাধাগুলো দূর করে সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধি অর্জনের অঙ্গীকার, বিদ্যুৎ ও গ্যাসের ঘাটতি মোকাবিলা, অবকাঠামো উন্নয়ন, উপজেলা ও গ্রাম পর্যন্ত তথ্যপ্রযুক্তির প্রসার, বন্দর উন্নয়ন, সড়ক, রেল ও নৌ যোগাযোগের প্রসার, বিনিয়োগ পরিবেশের উন্নয়নের মাধ্যমে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি ঘটিয়ে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন প্রক্রিয়া চালুর অঙ্গীকার করা হয় ওই ইশতেহারে। এ ছাড়াও দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল করা, শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ বাড়িয়ে মানবসম্পদের উন্নয়ন করে কর্মসংস্থান বাড়ানো, দ্রুত দারিদ্র্য নিরসন, কৃষিতে ভর্তুকি দিয়ে তার প্রবৃদ্ধি বাড়ানো, সামাজিক সংরক্ষণমূলক কর্মসূচির প্রসার; চর, হাওর ও উপকূলে দুঃখী মানুষের ভাগ্যোন্নয়ন, নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে স্থানীয় সরকারগুলোকে শক্তিশালী করা, আঞ্চলিক সহযোগিতার ব্যাপ্তি বাড়ানোর মতো লক্ষ্যধর্মী সব অঙ্গীকার করা হয়।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকার দিনবদলের ওইসব অঙ্গীকার নিরন্তর পূরণ করে যাচ্ছে। এই ৯ বছরে আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের সূচকসমূহের যে বিস্ময়কর অর্জন ঘটেছে, তা খালি চোখেও দেখা যায়। তবু পরিসংখ্যান দিয়ে বিগত ৯ বছরের অর্থনৈতিক অগ্রগতির কিছু সূচকের অগ্রযাত্রার চিত্র তুলে ধরা হলঃ

জিডিপির প্রবৃদ্ধি,মাথাপিছু আয়,দারিদ্র্য নিরসন,গড় আয়ু,আমদানিরপ্তানি,রেমিটেন্স,রিজার্ভ,সরাসরি বিদেশিবিনিয়োগ,বাজেট,অবকাঠামো উন্নয়ন,জ্বালানি,খাদ্য উৎপাদন,মাথাপিছু বিদ্যুৎ উৎপাদন,ওয়ার্ল্ড ইকোনমিকফোরাম জেন্ডার গ্যাপ ইনডেক্সে অবস্থান,মাতৃত্বকালীন ছুটি,বয়স্ক ভাতা,মুক্তিযোদ্ধা ভাতা

বাংলাদেশের অর্থনীতি ৯ বছরে বিস্ময়কর রূপান্তরের মধ্য দিয়ে এগিয়েছে। বড় বড় প্রকল্পগুলো ঠিকমতো বাস্তবায়ন হলে, বিশেষ করে পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, রূপপুর পারমানবিক বিদ্যুতকেন্দ্রের মতো প্রকল্পগুলো প্রত্যাশিত সময়ে বাস্তবায়ন হলে, দেশের এই চলমান উন্নয়নের ধারা এক নতুন মাত্রা পাবে। ২০৪১ সালে বাংলাদেশ উন্নত দেশ হওয়ার যে স্বপ্ন দেখছে, তা পূরণ করা সহজতর হবে। নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতুর নির্মাণে যে সাহস বাংলাদেশ দেখিয়েছে, তা সারা বিশ্বেই স্ব-উন্নয়নের এক অনন্য উদাহরণ হয়ে থাকবে। বঙ্গবন্ধুর আদর্শে লালিত মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বলিষ্ঠ হয়েই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এমন সাহসী পদক্ষেপ নিতে পেরেছেন। দেশপ্রেমও যে উন্নয়নের এক আদর্শ উপকরণ—পদ্মা সেতুর এই অসাধারণ গল্প যুগে যুগে বাংলাদেশের মানুষকে তা মনে করিয়ে দেবে।

আওয়ামী লীগ দিন বদলের সনদ ঘোষণা দিয়েছে।  ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তুলেছে। আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে  জীবনমান সহজ করা এবং উন্নত করার উদ্যোগ নিয়েছে। দেশে ১৩ কোটি মোবাইল সীম ব্যবহৃত হচ্ছে। ইন্টারনেট সার্ভিস প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত পৌঁছে গেছে। ৮ কোটি মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করছেন। দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবল স্থাপন করে ব্যান্ডওয়াইথ বৃদ্ধি করা হয়েছে। গ্রামাঞ্চল পর্যন্ত ব্রডব্যান্ড সম্প্রসারণ করা হচ্ছে।

প্রতিটি ইউনিয়নে ডিজিটাল সেন্টার স্থাপন করা হয়েছে। সেখান থেকে জনগণ ২০০ ধরনের সেবা পাচ্ছেন। সকল ধরনের সরকারি ফরমস, জমির পর্চা, পাবলিক পরীক্ষার ফল, পাসপোর্ট-ভিসা সম্পর্কিত তথ্য, কৃষিতথ্য, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, আইনগত ও চাকুরির তথ্য, নাগরিকত্ব সনদ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তির প্রক্রিয়া, ক্রয়-বিক্রয়সহ বিভিন্ন বিল প্রদানের সুবিধা জনগণ পাচ্ছেন। ঘরে বসে আউটসোর্সিং-এর কাজ করে অনেক তরুণ-তরণী স্বাবলম্বী হয়েছে। বিভিন্ন অ্যাপসের মাধ্যমে প্রবাসীরা আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছেন।

প্রশ্ন  বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা  আজকের বাংলাদেশপ্রত্যাশা  প্রাপ্তির সমীকরন কিভাবে করবেনআরো কতো এগিয়ে যেতে পারতো বাংলাদেশ?

বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তোলার স্বপ্ন সেদিনই স্তব্দ হয়ে যায় যেদিন জাতির পিতা কে হত্যা করা। দীর্ঘ ২১ বছর নির্যাতনের যাতাকলে পিষ্ট হয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কর্মী সমর্থকেরা ১৯৯৬ সালে আবার বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কে ক্ষমতায় আনে,শুরু হয় বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের যাত্রা। ২০০১-২০০৮ অবধি দেশ যেই অনামিশার গহিন অন্ধকারের ভেতর দিয়ে যাচ্ছিল,একসময় মনে হয়েছিল এই দেশ বুঝি এবার ধ্বংস হয়ে গেল। কিন্তু মহান আল্লাহ, আমাদের জন্য আবার ক্ষমতায় এনে দিলেন বাংলার ১৭ কোটি মানুষের প্রানের নেতৃ, বিশ্ব মানবতার জননী বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা কে। সেই থেকে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। আমরা আবার মাথা উচু করে দাড়াতে শিখেছি।

প্রশ্ন  বলা হয় বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে এগিয়ে আসবে নতুন প্রজন্মএই প্রজন্মের একজন হিসেবে কিভাবেএগিয়ে নিতে চান বাংলাদেশকে?

দেখুন যুগে যুগে তরুনেরাই একটি দেশের প্রানশক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। বাংলাদেশ ও এর ব্যাতিক্রম নয়। কিন্তু আশার বিষয় হল এই যে, আজকে রাষ্ট্র ও সরকার অত্যন্ত তরুন বান্ধব। আজ আমাদের হাতের মুঠোয় বিশ্ব। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সরকার দেশ ব্যাপী তরুন ও যুব সমাজ কে রাষ্ট্র গঠনে অংশ গ্রহন করতে নানামুখি পদক্ষেপ নিচ্ছে।

আর আমার নিজের কথা যদি বলতে হয়, তবে-

আমার প্রধান শক্তি হল প্রগতিশীল ও স্বাধীনতারপক্ষ শক্তি, বঙ্গবন্ধুর দেশ গঠনের আদর্শ , মেধাচর্চার ও প্রয়োগের চেষ্টা, যুগোপযোগী চিন্তা শক্তি, মাদক ও দুর্নীতি মুক্ত মানসিকতা, দেশ ও রাষ্ট্রের জন্য সরবোচ্চ ত্যাগ স্বীকারের মানসিকতা, রাজনীতি কে সমাজ ও জনগনের কল্যানে ব্যাবহারের প্রতিজ্ঞা, আন্তর্জাতিক যোগাযোগ, তথ্য প্রযুক্তির ব্যাবহার, অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য কাজ করার যোগ্যতা ও চেষ্টা।

আমার অন্যতম প্রধান শক্তি আমার পরিবারের ষাট বছরের রাজনীতির ইতিহাস।

প্রশ্ন  একটি প্রাসঙ্গিক প্রশ্ন একজন তরুন তথ্য প্রযুক্তিবিদ  গবেষক হিসেবে কোন কোন ক্ষেত্রে পরিবর্তন প্রয়োজনবলে মনে করেন?

সবার প্রথমে আমাদের নীতিবোধ, দেশপ্রেম ও যার যার কর্মক্ষেত্রে আরো অনেক বেশী ডেডিকেটেড হতে হবে। সমাজের ও রাষ্ট্রের অধিকাংশ লোক যদি নীতিকে ধারন করেন তবে বাংলাদেশ অতি দ্রুত একটি সফল রাষ্ট্রে পরিনত হবে বাস্তবে রুপ নেবে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা।

দেশপ্রেমের কোন বিকল্প নেই। ত্রিশ লক্ষ শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতা। আমরা কি একটু ভালোবাসা দিয়ে দেশটা কে  রক্ষা ও করতে পারব না? যে জাতির সূর্য সন্তানেরা তাদের সব কিছুর বিনিময়ে আমাদের জন্য এই স্বাধীন ভু খন্ড দিয়ে গেছেন, আমরা অন্তত দেশটাকে ভালোবেসে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারব না?

প্রশ্ন   যতদুর জেনেছি বাংলাদেশের মানচিত্রকে ধারন করেনচাইলে অনায়াসেই পাড়ি দিতে পারেন প্রবাসেরআয়েশী জীবনে কিন্তু তা না করে শেকড়ের সন্ধানে নিজ এলাকা চট্টগ্রাম আসন থেকে আসন্ন নির্বাচনে লড়তেচান কেন?

এই দেশ আমার, এই মাটি আমার। আমার প্রানের চেয়ে প্রিয় এই মাতৃভূমি। আমার গ্রাম, আমার মেঠো পথ, পাখ পাখালি, কৃষক ভাইয়ের সবুজ ফসল এই তো আমার অস্তিত্ব। আমার দেশ একদিন বিশ্ব মঞ্চ কাঁপাবে সেই স্বপ্ন নিয়ে রাজনীতি করছি। নির্বাচন করতে চাই শুধু একটি আসন থেকে সংসদে যেতে হয় তাই,নতুবা এই কর্ম বাস্তবায়নে অংশ গ্রহনের সুযোগ নেই।গনতান্ত্রিক রাষ্ট্রে দেশ গঠনে নির্বাচনে অংশ গ্রহনের বিকল্প নেই।

চট্টগ্রাম ২, ফটিকছড়ি উপজেলার পাইন্দং ইউনিয়নের হাইদচকিয়া গ্রামে আমার আদিবাড়ী, আমার পিতা, পিতামহের জন্ম স্থান।ছোট বেলা থেকে এই গ্রামের মাঠে ঘাটে, পথ, প্রান্তরে খেলা ধুলা করেছি, ছুটে বেড়িয়েছি। গ্রামের সেই ছোট বেলার বন্ধুদের সাথে ঘুরতে ঘুরতে কিছু বিষয় আমাকে নাড়া দিয়েছে। আমার পিতামহ আলহাজ্ব তৌহিদুল আলম চৌধুরী ও পিতা মোস্তফা কামাল পাশা চৌধুরী ছিলেন আমাদের ফটিকছড়ির অত্যন্ত সুপরিচিত ব্যাক্তিত্ব। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, স্বাস্থ্য সেবা সহ সমাজের নানা ক্ষেত্রে তাদের অবদান আজো মানুষের মুখে মুখে ফিরে। তারা দু জনি আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে অত্যন্ত ত্যাগ ও নীতি নিয়ে বিচরন করেছেন।

আমি যখন কিছু বড় হচ্ছি, তখন থেকেই আমার মনে এই স্বপ্ন জাগে যে, এই উপজেলা কে একদিন দেশ ও আন্তর্জাতিক ভাবে পরিচিত করতে চাই। আগাগোড়া রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান হওয়ায় এই স্বপ্ন আরো প্রবল হতে থাকে।

রাজনীতি, রাষ্ট্র ও অর্থনীতিকে যখন বুঝতে শিখলাম, তখন দেখলাম ফটিকছড়ি অত্যন্ত সম্ভাবনা ময় একটি উপজেলা, অথচ যোগ্য নেতৃত্বে র অভাবে আমরা এগুতে পারছি না।

আমি যদি একটু বিস্তারিত বলি, ফটিকছড়ি বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ উপজেলা। দুটি পৌরসভা, দুটি থানা, ৫০ হাজারের বেশী পৌর নিবাসী আর ৪ লক্ষাধিক গ্রামীন জনসংখ্যা। নারী পুরুষ আনুপাতিক হারে সমান। কিছু কিছু এলাকা শিক্ষায় এগিয়ে আছে তবে অধিকাংশ জনগোষ্ঠী উন্নত শিক্ষা থেকে বঞ্চিত, প্রবাসী আয় উল্ল্যেখ করার মত, ১৮-১৯ টি চা বাগান আছে, কিছু রাবার বাগান আছে, হালদার মত গুরুত্বপূর্ণ নদী আছে, প্রচুর কৃষি ভুমি, গাছ বাগান, দুটি জলপ্রপাত সহ প্রাকৃতিক সম্পদে এই উপজেলা অত্যন্ত সমৃদ্ধ।

সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ হল আমাদের প্রতিবেশী রাষ্ট্রের ত্রিপুরা রাজ্যের সাথে সীমান্ত আছে, আছে নিকটবর্তী গ্যাস ক্ষেত্র, চট্টগ্রাম শহর থেকে মাত্র ৩০ মিনিটের পথ পাড়ি দিলে ফটিকছড়ি শুরু হয়।

আমাদের অর্থনীতির প্রানশক্তি চট্টগ্রাম বন্দর ফটিকছড়ির প্রত্যন্ত অঞ্ছল থেকেও মাত্র ১-১.৫ ঘণ্টার পথ। এই যেই উপজেলার ভৌগলিক সুবিধা, আমরা আজ যোগ্য নেতৃত্বের অভাবে এর কোন সুযোগ কিংবা সুবিধা কোনটিই কাজে লাগাতে পারছি না।

এমন একটি সম্ভাবনাময় উপজেলা মুলত অর্থনৈতিক ভাবেই কাজে লাগাতে হবে। আমাদের শিক্ষিত জনগোষ্ঠী কে যদি আমরা কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দিতে পারি, তবে তাই হবে আমাদের ঘুরে দাঁড়ানোর প্রধান হাতিয়ার আর এর জন্য প্রয়োজন পরিকল্পিত শিল্পায়ন। আমি যদি কখনো সুযোগ পাই তবে ফটিকছড়িতে একটি শিল্প জোন তৈরী করব ইনশাআল্লাহ। এতে আমরা চট্টগ্রাম বন্দরের মাধ্যমে ও নিকটবরতী ভারতের সীমন্ত ও স্থল বন্দর ব্যাবহার করে প্রচুর অর্থনৈতিক সুযোগ সসৃষ্টি হবে। আমার ভু সম্পত্তির মুল্যায়ন হবে, অশিক্ষিত,স্বল্প শিক্ষিত ও শিক্ষিত সব শ্রেণির লোকের অর্থনৈতিক উন্নয়ন হবে আর এলাকা মাদক, সন্ত্রাস সহ সকল ধরনের সামাজিক ব্যাধি মুক্ত হবে।

এছাড়াও শিক্ষার বিস্তার, কর্মমুখী শিক্ষা, জনশক্তি রপ্তানি, তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর শিল্প, যৌতুক বিরোধী কর্মসূচী, মাদক মুক্ত সমাজ, সন্ত্রাস ও দুর্নীতি চিরতরে বিদায়, রাজনীতির নামে সমাজের উপর অত্যাচার, কু সংস্কার, নারী নির্যাতন, বয়জ্যাষ্ঠ ভাতা, কৃষক ও কৃষি কাজের জন্য আধুনিক সুবিধা প্রনয়ন, পরিবহন খাতকে সু শৃঙ্খল করা, স্বাস্থ্য সেবা সহ সকল খাতে যুগোপযোগি পরিবর্তনের স্বপ্ন নিয়ে আমি সংসদ সদস্য পদে মনোনয়ন চাই। আল্লাহ সহায় হন।

প্রশ্ন  ৭৫ পরবর্তী রাজনীতির জঞ্জাল পরিস্কার করে ঘুনে ধরা সমাজটাকে বদলাতে নতুন প্রজন্মকেই এগিয়েআসতে হবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীও তরুন নেতৃত্বের উপর আস্থা রাখতে চাননবীনপ্রবীনদের সংমিশনে কিভাবেগড়বেন সমৃদ্ধ বাংলাদেশ?

সবার আগে চাই নৈতিক চরিত্রের অধিকারী হওয়া ও দেশ প্রেমে উদ্বুদ্ব হওয়া। এই দুটি গুন যদি থাকে তবে একজন ব্যাক্তি সমাজের যে ক্ষেত্রেই সে থাকুক না কেন, সে দেশ কে দিতে পারবে। আমাদের আজকের দিনের সবচাইতে বড় সমস্যা আমি মনে করি, ভোগের আগ্রহ। একজন ব্যাক্তি যদি ত্যাগের মানসিকতা নিয়ে এগিয়ে আসে তবে তার পক্ষে অনেক কিছুই করা সম্ভব। আমি মনে করি, মাননীয় প্রধান মন্ত্রী আমাদের জন্য একটি পটভুমি তৈরি করে দিয়েছেন এখন আমাদের পালা। প্রতিযোগিতা মুলক অর্থনীতিতে টিকে থাকতে হলে যোগ্যতা নিয়ে চলতে হবে, নতুবা পিছিয়ে পড়তে হবে।

প্রশ্ন   আপনার নির্বাচনী এলাকা চট্টগ্রাম – আসনের মানুষের  পর্যন্ত কি কি সমস্যা চিন্হিত করেছেনসমস্যাসমাধানে একজন মানুষ হিসেবে কিভাবে তাঁদের পাশে দাড়িয়েছেন?

দেখুন ফটিকছড়ি একটি বিশাল এলাকা, সর্ববৃহৎ উপজেলা। সমস্যার অন্ত নেই, এক কথায় বললে, সমস্যাই এই অঞ্ছলের মানুষের নিত্য সঙ্গী। তবে ফতিকছড়ির প্রধান সমস্যা যদি আমি বলি তবে, প্রধানত তিনটি-

-> ন্যুনতম অর্থনৈতিক কর্মের অভাব।

-> শিক্ষার বিস্তার অত্যন্ত ক্ষীন।

-> স্বাস্থ্য সেবা নেই বললেই চলে।

এই তিনটি প্রকট সমস্যা যদি আমরা মোকাবেলা করতে পারি, তবে দ্বিতীয় স্তরের সমস্যা গুলো মোকাবেলা করা সম্ভব।

আর ব্যক্তি পর্যায়ে আমার সমাজ ও রাজনীতির চলার পথে গত এক যুগে আমি চেষ্টা করেছি তাদের উপরে উল্লেখিত সমস্যা গুলো সমাধানে কিছু পদক্ষেপ নিতে-

  • নিয়মিত বিরতিতে স্বাস্থ্য সেবা ক্যাম্প করে
  • শিক্ষা বৃত্তি, শিক্ষা উপকরণ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কম্পিউটার প্রদান, গরীব শিক্ষার্থী দের মাঝে নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী প্রদান ইত্যাদি।
  • ইউনিয়ন পর্যায়ে তথ্যপ্রযুক্তি কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা, স্থানীয় ক্লাব ও সামাজিক সংগঠন নিয়ে।
  • ব্যাক্তি পর্যায়ে অনুদান প্রদান।
  • কৃষি সামগ্রী বিতরন।

ইত্যাদি।

প্রশ্ন  একজন ফয়সাল কামাল চৌধুরী আদর্শ,নৈতিকতা,জনহিতৈষী কাজের মুল্যায়ন জনগনই করবেতবুও নিজের এলাকার মানুষের উদ্দেশ্যে কিছু বলুন

মানুষ বড় বিচিত্র। মানব চরিত্র বিশ্লেষনে দেখা যায়, আমরা রাজনৈতিক নেতৃত্ব কে নিজেরাই অনৈতিক কাজে ব্যাবহার করি, তাদের কাছ থেকে নানা মুখি অর্থনৈতিক সুবিধা চাই ইত্যাদি। যা যোগান দিতে গিয়ে একজন রাজণীতিক সময়ের সাথে সাথে অনৈতিক কাজে জড়িয়ে পড়ে, তবে সব ক্ষেত্রে নয়।

আমি আমার এলাকার জনসাধারন কে বলব আপনারাই নেতা তৈরি করেন, জনতা আপনার হাতেই ক্ষমতা। অতএব সৎ, যোগ্য, মেধা সম্পন্ন, মাদক মুক্ত, জনমুখি, ব্যক্তির সাথে থাকুন। আগামীর ফটিকছড়ি গড়তে হলে, যোগ্যতার কোন বিকল্প নেই। সমাজকে গড়তে হলে দুর্নীতি মুক্ত, সৎ ব্যাক্তির বিকল্প নেই। আপনাদের সম্পদ লুট করে আবার আপনাদের মাঝে দানবীর নামক দানবের হাত থেকে নিজেকে ,রাষ্ট্রকে, আগামী প্রজন্ম কে রক্ষা করুন।

ব্যাক্তি পর্যায়ে দান করে একটি এলাকা কখনো উন্নত করা যায় না। যথাযথ ব্যাক্তিকে, জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে যোগ্যতা যম্পন্ন ব্যাক্তিকে আজকের মহান জাতীয় সংসদে প্রয়োজন তবেই ফটিকছড়ি হতে পারে একটি আধুনিক, সুস্থ সুন্দর সমাজের উপজেলা।

তিনি একদিন সংসদ সদস্য হবেন, পিছিয়ে পড়া ফটিকছড়িকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পৌছে দিবেন এটা আমাদের সকলের স্বপ্ন।

ফটিকছড়ির দিন বদলের এই স্বপ্ন নিয়ে সাথে থাকুন আস্থা রাখুন এই স্বপ্নবাজ তরুনের উপর।

জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।

আল্লাহ সর্বশক্তিমান।।

সাক্ষাৎকার গ্রহন করেছেন প্রবীন সাংবাদিক আমাদের খবর ৭১ এর বার্তা সম্পাদক আবু জাফর ।